Monday, 28 September 2026 Breaking News
দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা অংশ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা অংশ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

12 March 2020 · বাংলাদেশ

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যাত্রাবাড়ি - মাওয়া এবং পাচ্চর-ভাংগা এক্সপ্রেসওয়ে , তৃতীয় কর্নফুলী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ৬ লেন এপ্রোচ সড়কসহ ২৫ টি সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ২৫ সেতু উদ্বোধন করেন তিনি। এতে এই এলাকার মানুষের জীবনমান আরো উন্নত হবে বলে আশা করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়ন।  যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নত হলে দেশের মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত হবে।আর তাই দেশের যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। কিছুদিনের মধ্যে এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে টুঙ্গিপাড়া যাওয়ার আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পরে ভিডিও কনফারেন্সে উপকারভোগীদের সাথে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী । তিনি বলেন, উদ্বোধন হওয়া মহাসড়ক ও সেতুগুলো মুজিব বর্ষে জনগনের জন্য  উপহার ।তাই পরিচ্ছন্নতা ও যত্নের সাথে এগুলো ব্যবহার করার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী ।
একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না জানিয়ে, জনপ্রতিনিধিদের ভূমিহীন গৃহহীনদের আবাসন নিশ্চিত করার আহবান জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা।
মাওয়া উদ্বোধন
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে দেশের প্রথম এক্সপ্রেস হাইওয়ে। যেখানে মূল সড়কে থাকবে চারটি লেন। সঙ্গে সড়কের দুই পাশে থাকছে সাড়ে ৫ মিটার করে (একেক পাশে দুই লেন করে) দু’টি সার্ভিস লেন। এই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে টোল দিতে হবে সব ধরনের যানবাহনকে। এক্সপ্রেসওয়েটি চালু হয়ে গেলে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা যেতে সময় লাগবে মাত্র ৪২ মিনিট। জানা যায়, ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গার দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। সদ্য নির্মিত এক্সপ্রেসওয়ে ধরে এই দূরত্ব পার হতে সময় লাগবে মাত্র ৪২ মিনিট। আর ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে সময় লাগবে ২৭ মিনিট। তবে পদ্মাসেতু হবার পর ভাঙ্গা থেকে ঢাকা পর্যন্ত যেতে ৪২ মিনিট ব্যয় হবে। রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালের জুলাই মাসে। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল এই প্রকল্পের। পদ্মার ওপার থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছিল ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার অংশের কাজ।