Monday, 28 September 2026 Breaking News
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ: কি করা যাবে, কি করা যাবে না?

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ: কি করা যাবে, কি করা যাবে না?

8 March 2020 · বাংলাদেশ

করোনা ভাইরাস ইতোমধ্যেই থাবা বসিয়েছে বাংলাদেশে। আক্রান্ত হয়েছেন তিন জন। আরো দুজন রয়েছেন কোয়ারেন্টািইনে। করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আইইডিসিআর। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে ভাইরাস প্রতিরোধে বেশ কিছু গাইডলাইন৷ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কি করণীয় তা জানেন না অনেকেই। তাই আইইডিসিআর এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনা তুলে ধরতেই এ প্রতিবেদন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে নিউজনাউবাংলার কথা হয় দেশসেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর সঙ্গে। তিনি জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার জরুরি নয়, তবে জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া, জ্বর, শুকনো কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যাবার পরামর্শও দেন তিনি। করোনাভাইরাসের প্রজাতির মাত্র ৭টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে এ ভাইরাস একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। বলছেন, জ্বর বা ঠান্ডা লাগার মতোই এ ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে। আইইডিসিআর বলছে, আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে কমপক্ষে দুই হাত দূরে থাকতে হবে। করমর্দন ও কোলাকুলি পরিহার করতে হবে, বারবার সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার নিউজনাউবাংলাকে জানান, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা, অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ না করা এবং গণপরিবহন পরিহার করতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখতে মাস্ক ব্যবহার, পরিবারে কারো জ্বর হলে শিশুকে দূরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, করোনার প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তারপর দেখা দেয় শুকনো কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে ২ থেকে ১৪ দিন লাগে। আইইডিসিআর জানিয়েছে, রাজধানীর উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল করোনা আক্রান্তদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া, জেলা-উপজেলাসহ সব হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।