‘মাশরেকী পদক ২০২৫’ পেলেন ১২ গুণীজন
মাটি ও মানুষের জীবন, বাংলার লোকঐতিহ্য আর শেকড়ের কথাকে সৃষ্টির ভুবনে ধারণ করা কবি আবদুল হাই মাশরেকীর ১১৭তম জন্মোৎসবের তিন দিনব্যাপী আয়োজন শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সমাপনী আয়োজনে কবির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান স্মরণ করে গান, কবিতা, জারী ও কোরিওগ্রাফিক পরিবেশনার পাশাপাশি কবির জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা হয়।
কবির রচিত ‘আজান হাঁকো’ ও ‘দুখু মিয়ার জারী’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। গেন্ডারিয়া কিশলয় কচি-কাঁচার মেলা শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা এতে অংশ নেন। পরে কবির জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা, সংগীত পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি, জারী ও কোরিওগ্রাফিক পরিবেশনা হয়। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের ‘মাশরেকী পুরস্কার ২০২৬’ এবং গুণিজনদের ক্রেস্ট, মেডেল, সনদ ও অন্যান্য সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম। সভাপতিত্ব করেন কবি আবদুল হাই মাশরেকী গবেষণা কেন্দ্রের উপদেষ্টা ও উত্তরার ঈশ্বরগঞ্জ ফোরামের সভাপতি মো. মুজিবুর রহমান।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম বলেন, কবির অসংখ্য জনপ্রিয় লেখা আজও শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অনুপ্রেরণা দেয়। মানবতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজচেতনা তার সাহিত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
অনুষ্ঠানে কবির ‘এবার জাগাও মোরে’ কবিতার বাণীকে স্মারক করে তার ১১৭তম জন্মোৎসব আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ‘মাশরেকী পদক ২০২৫’ দেওয়া হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, কবি ও সাংবাদিক কবি আবদুল হাই শিকদার, প্রশাসন ক্যাটাগরিতে মো. শাহ আলম,
চিত্রকলায় মরণোত্তর সৈয়দ লুৎফুল হক, আইন ও সমাজসেবায় মো. বোরহান উদ্দিন, কবি ও গবেষক গাউসুর রহমান, লোকসংগীতে আবদুর রহিম, মরণোত্তর শহীদ বুদ্ধিজীবী মো. আরজ আলী, মরণোত্তর কবি শাহরিয়ার হোসেন সাব্বির, কলামিস্ট ফাহমিদা চৌধুরী, সংগঠক ও সংস্কৃতিজন মো. মুজিবুর রহমান এবং কবি মিজান মাহমুদ।
নিউজ নাউ বাংলা/ এমআরকে/ জেডআরসি/ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬