Monday, 28 September 2026 Breaking News
৫০ বছর পর বেহাত হওয়া জমির দাম পেলেন মুন সিনেমা হলের মালিক

৫০ বছর পর বেহাত হওয়া জমির দাম পেলেন মুন সিনেমা হলের মালিক

17 December 2019 · বাংলাদেশ

অবশেষে পুরান ঢাকার মুন সিনেমা হলের বেহাত হওয়া জায়গা ও সম্পত্তি বাবদ প্রায় ১০০ কোটি টাকার চেক হাতে পেলেন মালিক মাকসুদুল আলম। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে চেকটি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়। আগামী ৫ জানুয়ারীর মধ্যে পুরান ঢাকার মুন সিনেমা হলের জমি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নামে রেজিস্ট্রি করে দিতে হবে বলে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। ইতালিয়ান মার্বেলস ওয়ার্কস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুল আলম ছিলেন মুন সিনেমা হলের মালিক। মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরে মালিকানা দাবি করে মাকসুদুল আলম আদালতের দ্বারস্থ হলে ২০১০ সালে আপিল বিভাগ ৯০ দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন। পরে পঞ্চম সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ে ৯০ দিনের মধ্যে পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল মূল মালিককে ফেরতের নির্দেশ বহাল রাখেন। কিন্তু মাকসুদুল আলম তার জমি না পেয়ে ২০১২ সালে আপিল বিভাগে আবেদন করেন। পরে আপিল বিভাগ ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি এক আদেশে ক্ষতিপূরণসহ ভবন ও জমির মূল্য বাবদ ৯৯ কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪ টাকা ২৭ পয়সা পরিশোধ করতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রতি নির্দেশ দেন। যার চেক পান মঙ্গলবার। এর ফলে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট যেন এ জমিটার মালিক হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখ চূড়ান্ত আদেশের জন্য তারিখ রেখেছেন বলে জানান আবেদনকারীর আইনজীবী। এর আগে সরকার আদেশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারপক্ষ বার বার সময় নেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। মুন সিনেমা হলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি; সঙ্গে সাইফুল্লাহ মামুন। আর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. মইনুল ইসলাম।