Monday, 28 September 2026 Breaking News
সারাদেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট

সারাদেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট

30 November 2019 · বাংলাদেশ

  সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, ডাকাতি বন্ধ ও বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ ১১ দফা দাবীতে সারাদেশে নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলছে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি। ধর্মঘটের কারণে বন্ধ রয়েছে পণ্য ও যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল। দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি নৌ-বন্দর থেকে কোন মালবাহী নৌযান চলাচল করছেনা। সার, ক্লিংকার, জ্বালানী তেল ও অন্যান্য মালামাল বাহী প্রায় ৭০টি জাহাজ বন্দরে রয়েছে। তবে মালামাল ওঠানো-নামানো বন্ধ। বন্ধ রয়েছে উত্তরবঙ্গসহ ১৮ জেলায় সার, তেল, ক্লিংকার, কয়লা সরবরাহ । বরিশাল নদী বন্দর থেকে কোন রুটেই কোন যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করছে না। যাত্রীরা পড়েছে বিপাকে। পটুয়াখালীতেও লঞ্চ চলাচল করছে না। খুলনায় বন্ধ রয়েছে নৌযান চলাচল। কর্মসূচির সমর্থনে মিছিল করেছে শ্রমিকরা। নৌযান চলাচল বন্ধ থাকার প্রভাব পড়েছে মোংলা বন্দরে। বন্ধ রয়েছে পন্য উঠা নামা। নৌ শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে চাঁদপুর লঞ্চঘাট। মধ্যরাত থেকে রাজধানী ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বরিশাল, শরীয়তপুরসহ সকল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। ভৈরব নদীবন্দরও অচল হয়ে পড়েছে। কোন নৌযান রাজধানীসহ হাওড় অঞ্চলে যায়নি। বন্ধ রয়েছে নৌপথে সার,কয়লা,তেল সরবরাহ। শ্রমিক নেতারা বলছে, সারা দেশের ২ লাখ নৌযান শ্রমিক-কর্মচারী এই কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছে। দাবী মেনে না নেয়া পর্যন্ত এ ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় শ্রমিকরা । সদরঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, ভোর থেকে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, ভান্ডারিয়া, ঝালকাঠি, হুলারহাট, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন রুট থেকে জাহাজ ও লঞ্চ এসেছে। সেগুলো যাত্রী নামিয়ে দিয়ে বুড়িগঙ্গায় নোঙর করে রাখা হয়েছে। পল্টুনে কোনও লঞ্চ নেই। সদরঘাটের ১ ও ২ নম্বর পল্টুনে কয়েকটি বড় জাহাজ দেখা গেলেও সেগুলো সকাল ৯টার দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়।