Monday, 28 September 2026 Breaking News
বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদকে গ্রেফতার মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদকে গ্রেফতার মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

7 April 2020 · বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম খুনি ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদকে গ্রেফতারের পর এক প্রতিক্রিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘এটি মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার আমরা দেশবাসীকে দিতে পেরেছি।’ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রতিক্রিয়া জানান। মন্ত্রী বলেন, আমরা দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ডাদেশ কার্যকরের অপেক্ষায় ছিলাম। তাদেরই একজন ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত থেকে হাজতবাসের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে সেখানে পাঠানো হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের সাজা কার্যকর করার অপেক্ষায় ছিলাম। তার মধ্যে অন্যতম একজন খুনি আব্দুল মাজেদ পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। আমরা কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সৌপর্দ করি। আদালত তাকে হাজতবাসের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে, সেখানে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার স্ত্রী সালেহা বেগমের বাড়ি নম্বর- ১০/এ রোড নম্বর এক, ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকায় সেখানেই বসবাস করছিলেন আব্দুল মাজেদ। তার সমস্ত তথ্য আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে ছিল।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ, নুর এবং রিছালদার মোসলেহ উদ্দিন এই তিনজনের অবস্থান সেখানে ছিলো। এছাড়া আরো কয়েকজন ছিলেন। এই খুনি শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনে অংশগ্রহণ করেননি, তিনি জেলহত্যায়ও অংশগ্রহণ করেছিলেন বলে আমাদের জানা রয়েছে। খুনের পরে তিনি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক তিনি (আব্দুল মাজেদ) বঙ্গভবন এবং অন্যান্য জায়গা কাজ করেছেন। আমরা আশা করি, তার দণ্ডাদেশ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যকর করতে পারব। যারা যারা এই কাজে (গ্রেফতারে) সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে এটাকে মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার আমরা দেশবাসীকে দিতে পেরেছি বলে মনে করেন মন্ত্রী।’ আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের তৎকালিন জিয়াউর রহমান সরকার বিচারের বদলে নানাভাবে পুরুস্কৃত করেছে। তাদের যাতে বিচার না হয়, সেই ব্যবস্থাটাও পাকাপোক্ত করেছিলেন। এই খুনিকে আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময় জিয়া সরকার দূতাবাসে চাকরি ছাড়াও দেশে-বিদেশে চাকরি করেছেন। ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তার আগে এই খুনি আত্মগোপন করেন। এরপর থেকে আমাদের গোয়েন্দারা তাকে নজরদারিতে রেখেছিল।’