Sunday, 27 September 2026 Breaking News
দুই শতাধিক শ্রমজীবীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পুলিশের

দুই শতাধিক শ্রমজীবীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পুলিশের

28 June 2026 · বাংলাদেশ

➤➤ ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে রাজধানী ডেমরায় হয়ে গেল ট্রাফিক পুলিশের দিনব্যাপী বিনামূল্যে পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগের ব্যতিক্রমী এই মানবিক উদ্যোগে ডেমরা এলাকার বিভিন্ন পরিবহনের চালক, হেলপার, পথচারী ও অটোরিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দুই শতাধিক অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরামর্শ পেয়েছেন।

◉ ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুরসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

লজিস্টিক ও চিকিৎসা সহযোগিতায় ট্রপিক্যাল হসপিটাল: এবারের ক্যাম্পে সার্বিক চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং লজিস্টিক সহযোগিতা করেছে স্থানীয় নামকরা চিকিৎসালয় ‘ট্রপিক্যাল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

হাসপাতালটির একঝাঁক অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও দক্ষ মেডিকেল টিম দিনভর আগত রোগীদের বিনামূল্যে রক্তচাপ পরীক্ষা, ডায়াবেটিস নির্ণয়সহ বিভিন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।

একই সাথে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

উপস্থিত কর্মকর্তা ও অতিথিবৃন্দ: মানবিক এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগ ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) এ কে এম নসরত হাসান এবং ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. সুলতান। এছাড়াও ট্রাফিক পুলিশের অন্য পদস্থ কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন।

হেলথ ক্যাম্পের সার্বিক বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. সুলতান বলেন, রাস্তায় দিনরাত পরিশ্রম করা গরিব পথচারী, শ্রমজীবী মানুষ এবং চালকেরা অনেক সময় টাকার অভাবে বা অবহেলায় চিকিৎসকের কাছে যান না। তাদের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

◉ ৫ মাসে ২৬৮ হামলা, কেন বারবার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে পুলিশ

টিআই আরো বলেন, অসহায় মানুষের কল্যাণে আমাদের এই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। জনসাধারণের যেকোনো প্রয়োজনে ট্রাফিক পুলিশ সবসময় পাশে রয়েছে এবং থাকবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পুলিশের এই ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম সাধারণ মানুষের সাথে পুলিশের দূরত্ব কমিয়ে পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য আরও বৃদ্ধি করবে।

নিউজ নাউ বাংলা/কেএ/ জেডআরসি/ ‌২৮ জুন ২০২৬