Monday, 28 September 2026 Breaking News
মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

10 January 2020 · বাংলাদেশ

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী। করাচির জেলে নয় মাসের  বন্দি জীবন মুক্তি  পেয়ে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশে ফিরে এলেন। তেজগাঁও বিমানবন্দরে বাঙ্গালীর মুক্তির দূত, অবিসংবাদিত নেতাকে এক নজর দেখার জন্যে লাখো জনতার ঢেউ। অধীর আগ্রহে জনতা। বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী ব্রিটিশ এয়ারলাইন্সের বিমানটি তেজগাঁও বিমান বন্দরে অবতরণ  করলো। মহান নেতাকে নিজেদের মাঝে ফেরত পেয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগানে ফেটে পড়লো জনতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সেই ক্ষণটিকে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে প্রতীকিভাবে আবারো ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আজ ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারীতে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনাও শুরু হয়েছে আজ থেকে । বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাঁকালো অনুষ্ঠানে ক্ষণগণনা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে মুজিববর্ষের লোগো উন্মোচন করেন তিনি। জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও সদস্য সচিব কামাল নাসের প্রধানমন্ত্রীর হাতে মুজিববর্ষের লোগো তুলে দেন। এসময় মঞ্চে তার পাশে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং বোন শেখ রেহানা। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তটিকে প্রতীকীভাবে ফুটিয়ে তোলার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছে ক্ষণগণনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এই আয়োজনে প্রতীকী বিমান অবতরণ ছাড়াও রয়েছে আলোক প্রক্ষেপণে বঙ্গবন্ধুর অবয়ব তুলে ধরা, ২১বার তোপধ্বনি ও গার্ড অব অনার। ১৯৭২ সালে যেভাবে এদেশের সংগ্রামী জনতা বঙ্গবন্ধুকে বরণ করে নিয়েছিল, প্রতীকীভাবে সেই ক্ষণটিও ফুটিয়ে তোলা হয়, ওড়ানো হয় এক হাজার লাল-সবুজ বেলুন এবং অবমুক্ত করা হয় একশ’টি সাদা পায়রা। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা ১০ হাজার দর্শক এবং আমন্ত্রিত দুই হাজার দেশি-বিদেশি অতিথি বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরাও এতে উপস্থিত রয়েছেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী। এতে উপস্থিত রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতিক। এছাড়াও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ড. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করা হয়েছে।