Monday, 28 September 2026 Breaking News
আমরা ধর্মঘট, অবরোধ ডাকিনি: শাহজাহান খান

আমরা ধর্মঘট, অবরোধ ডাকিনি: শাহজাহান খান

24 November 2019 · বাংলাদেশ

সড়ক পরিবহন আইন প্রয়োগের বিরোধীতা করে দেশজুড়ে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘটের মধ্যেই শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য শাজাখান বলেছেন, শ্রমিকদের পক্ষ থেকে কোনো আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়নি। এমনকি সড়ক পরিবহন আইনে যে শাস্তির বিধান রয়েছে তাতেও তাদের কোনো আপত্তি নেই। রোববার ( ২৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সড়কে শৃংখলা ও নিরাপত্তা ফেরাতে গঠিত টাস্কফোর্সের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। বলেন, আইনে ফাঁসির কথা রয়েছে বলে গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের কারনে শ্রমিকেরা বিভ্রান্ত হয়ে কোথাও কোথাও সড়ক মহাসড়ক অবরোধ করেছে। তিনি বলেন, গণমাধ্যম বলছে এখনো যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। প্রথম বাস্তবতা হলো, লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি- বিআরটিএ'র এর ঘাটতি রয়েছে, তারা লাইসেন্স দিতে পারছে না। এখন যে ভূয়া লাইসেন্স ড্রাইভারদের কাছে আছে সেই লাইসেন্স নিয়ে যদি গাড়ি চালায় তাহলে তাদের জরিমানা হবে। একারণে একজন ড্রাইভার স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালাতে পারছে না। শাজাহান খান বলেন, অনেক গাড়ির ফিটনেস না থাকার কারণে সেই গাড়ি গুলো চালাতে পারছে না। এ কারণে রাস্তায় গাড়ি সংখ্যায় কম, এটা বাস্তবতা। তার দৃষ্টাতে সব স্বাভাবিকভাবে চলছে। যেসব গাড়ির লাইসেন্স নেই, কাগজপত্র নেই সে কারণে কিন্তু রাস্তায় গাড়ির ঘাটতি থাকছে। আইনে জরিমানার কথা বলা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেন। বলেন, একজন ড্রাইভার মাসে কত টাকা আয় করে? তার যে সীমিত অর্থ সেটা দিয়ে তার সংসার পরিচালনা করে। মাসে ১৫ দিনের বেশি কিন্তু সে গাড়ি চালাতে পারেনা, এজন্য ১৫ দিনের আয় দিয়ে তাকে ১ মাস সংসার চালাতে হয়।" তিনি বলেন, শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কিছু দাবির কথা সরকারকে বলা হয়েছে। একজন ড্রাইভার যদি একটা এক্সিডেন্ট করে দীর্ঘদিন গাড়ি চালাতে না পারে, এভাবে যদি সারাদেশে এক বছরে ৩ থেকে ৪ হাজার এক্সিডেন্ট হয় তাহলে ৩ থেকে ৪ হাজার ড্রাইভার এর ঘাটতি পড়ে যাচ্ছে।বলেন, দেশে এখনো ড্রাইভারদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন ড্রাইভার তৈরি করার মতো স্বক্ষমতা হয়নি। বলেন, কোন চালক যদি দুর্ঘটনা ঘটিয়ে আর বিচার প্রক্রিয়ায় যদি সে অপরাধী বিবেচিত হয়ও তাকে যেন জামিনের ব্যবস্থা রাখা হয়। তাহলে অন্তত ড্রাইভার এর ঘাটতি থাকবে না। একজন চালক দুর্ঘটনা ঘটানোর পর জামিন পায় তাহলে দুর্ঘটনার পরিমাণ কমবে বলে যুক্তি তুলে ধরেন। বলেন, বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে এক ভুল দ্বিতীয়বার কোনো চালক করবেনা।