Monday, 28 September 2026 Breaking News
আজ যে কোনও মুহুর্তেই ফাঁসি হতে পারে বঙ্গবন্ধুর খুনী আবদুল মাজেদের

আজ যে কোনও মুহুর্তেই ফাঁসি হতে পারে বঙ্গবন্ধুর খুনী আবদুল মাজেদের

11 April 2020 · বাংলাদেশ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। ফাঁসি কার্যকর করতে জল্লাদ শাহজাহানের নেতৃত্বে মো: আবুল,তরিকুল ও সোহেল সহ ১০ জন জল্লাদের একটি দল তৈরী করেছে ঢাকা জেল কতৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষও প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আজ যেকোনও মুহূর্তেই তাকে ফাঁসিতে ঝুলানো হতে পারে বলে সূত্রের দেয়া তথ্যে জানা গেছে। পুরাতন ঢাকা থেকে বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ তীরে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থান্তরের পর বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকরই হবে প্রথম কোন আসামীর দন্ড কার্যকর। মঞ্চটি ধোয়ামুছা করে তৈরি রাখা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার রাতে আবদুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদনটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি আবেদনটি খারিজ করে দেন। বুধবার দুপুরে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ হেলাল চৌধুরী তার মৃত্যুপরোয়ানা জারি করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গতকাল বেলা সোয়া একটায় কারা কর্তৃপক্ষ আসামিকে আদালতে হাজির করে। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটররা আসামি গ্রেফতার দেখানোসহ আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামি আব্দুল মাজেদকে গ্রেপ্তারসহ মৃত্যু পরোয়ানার আবেদন মঞ্জুর করেন। কারা সূত্র জানিয়ে, শবে বরাতের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে ফাঁসি কার্যকর হয়নি। শুক্রবারও ফাঁসি কার্যকরের সম্ভাবনা কম। কিন্তু শনিবার দণ্ড কার্যকরের সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি। অন্যথায় আগামীকাল রবিবার হবে। এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় আব্দুল মাজেদের সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পরিবারের ৫ সদস্য শেষ দেখা করে গেছেন। কারা কর্তৃপক্ষের ডাকে সাড়া দিয়ে মাজেদের স্ত্রী, শ্যালক ও চাচা শ্বশুরসহ ৫ জন রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কারাগারের ভেতরেই ছিলেন। তখন ধারণা করা হচ্ছিল, শুক্রবার রাতেই মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হতে পারে। বঙ্গবন্ধুর আলোচিত এই খুনি ২৩ বছর ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। তিনি গত ১৬ মার্চ ঢাকায় ফিরেন। ৬ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টায় রাজধানীর মিরপুর থেকে আব্দুল মাজেদকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার শুনানির ১ ঘণ্টা পর দুপুর ১টায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। শুনানির সময় খুনি মাজেদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।